Tuesday, 21 June 2016

এখনো সময় আছে আল্লাহুর কাছে মাথা নত করুন সিজদা করুন


আপনি মহামহিমান্বিত আল্লাহ্ কে সিজদা করুন আর না করুন ১৮০০০ হাজারের বেশি প্রানী
মহান আল্লাহু তাআলা কে সিজদা করে
আল্লাহু আকবারর
 এআর আত্তারী

মানুষ মানুষের জন্য

দয়া ও অনুগ্রহ করে তাদের মত
কাউকে পেলে অবহেলা করবেন না.
পবিত্র রমজান মাসে তাদের প্রতি
দয়ার হাত টুকু বাড়িয়ে দিন।

Monday, 20 June 2016

দাড়িওালারা নোংরা জঙ্গল


______________________________
অনেক বোন
দাড়িওয়ালা দেখলেই
তাদেরকে নোংরা,
জঙ্গল বলে থাকেন।
হে আমার প্রিয় বোন,
দাড়িওয়ালা
যুবকরা নোংরা,
জঙ্গল নয় -- .
১) একজন দাড়িওয়ালা
যুবকদের গোসল সহ

ওয়াক্ত নামাজের
জন্য অন্তত ৬ বারের
বেশি হাত
মুখ ধুতে হয়। কিন্তু।
অন্যান্য ছেলেরা
দিনে ১ বার
গোসল করে কিনা
সন্দেহ আছে। শীত
আসলে তো
কথাই নেই।
২) দাড়িওয়ালা
যুবকদের নামাজ এ
বেশি সওয়াব-এর
আশায় প্রতি ওয়াক্তে
দাঁত ব্রাশ বা
মেসওয়াক
করতে হয়। আপনার
পরিস্কার ছেলে
বন্ধুদের
জিজ্ঞেস করে দেখেন
তো কয়বার দাত
ব্রাশ করে?
৩) দাড়িওয়ালা যুবকরা
সিগারেট, মদ
বা যেসব
জিনিস থেকে দুর্গন্ধ
আসে তা থেকে
দূরে থাকে।
এমনকি কাঁচা পেঁয়াজ,
কাঁচা রসুন পর্যন্ত
রাসূল সাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম
 নিষেধ করেছেন।
ফলে মুসলিম
সুন্নাতের
অনুসারীরা তা থেকে
দূরে থাকে।
আপনার বাপ, ভাই ,
ফ্রেন্ড বা যারা এসব
খায় তাদের মুখের
দুর্গন্ধ কি
এতই ভালো লাগে?
৪) একজন দাড়িওয়ালা
যুবককে সুন্নাত
অনুযায়ী
গায়ে সুগন্ধি ব্যাবহার
করতে হয়। আপনার
আশেপাশের প্রিয়
ছেলেদের গায়ের
ঘাম এর দুর্গন্ধ
আপনার কি এতই
ভালো লাগে?
৫) একজন দাড়িওয়ালা
হুজুরকে ঠাণ্ডা
থাক আর
গরম থাক অজুতে ৫
বার নাক পরিস্কার
(পানি
দিয়ে) করতেই হয়।
আপনার প্রিয়
দাড়িবিহীন
পুরুষদের ঠাণ্ডা লাগলে
একটু সামনে
যেয়ে দেখেন তো
নাকের আর হাতের
অবস্থা কি?
৬) একজন দাড়িওয়ালা
যুবককে সর্বচ্চ ৪০
দিনের
মধ্যে বগল ও নাভির
নিচের অবাঞ্ছিত
কেশ
পরিস্কার করতে হয়।
আপনার স্বামী বা
boyfriend ............... কি
অবস্থা......... থাক
এই
বিষয়ে আর বললাম না।
৭) একজন দাড়িওয়ালা
যুবককে জুম্মার
নামাজ এর
আগে সুন্নাত
মোতাবেক হাতের নখ
কেটে ছোট
রাখতে হয়। আপনার
প্রিয় পুরুষদের নখের
ময়লা কি
আপনার এতই ভালো
লাগে?
৮) একজন দাড়িওয়ালা
যুবকদের ৫ ওয়াক্ত
সালাতের জন্য
সর্বদাই পাক-পবত্র
থাকতে হয়।
অপবত্র সে থাকতেই
পারে না। এমনকি
পেশাব করার
পর পানি দিয়ে
পূর্ণাঙ্গরূপে পরিস্কার
হতে হয়।
যদি সে পরিপূর্ণরূপে
পরিস্কার না হয়
তবে তার
কাপড় অপবিত্র হয়ে
যাবে। ফলে তার
সালাত বিনষ্ট
হওয়ার আসংখ্যা
রয়েছে। যদি সে পানি
না পায় তাহলে
সে কুলুখ/টিস্যু দিয়ে
পরিস্কার হতে হয়।
যেভাবেই
হোক পরিষ্কার তাকে
হতে হবেই নইলে
তার কাপড়
অপবিত্র হয়ে পরবে।
আপনার প্রিয় পুরুষদের
একটু খবর নিয়ে দেখুন



Wednesday, 15 June 2016

আমাদের জন্য শিক্ষা জনক ঘটনা

ভাই মাফ চাই, ছাইড়া দেন ভাই,ভাই দুইটা পায়ে ধরি ভাই, আর মাইরেন না,ভাই
আমি রোজা রাখছি,আর আমুনা ভাই।।।
রোজার কথা শুনে থেমে গেলো দু'জন
বাড়ি কই তোর?
-- কলাবাগান বস্তিতে
তুই মসজিদ থেকা চুরি করস? তোর কলিজা কত বড়? পাশের লোকটা
বললো ভাই থামলেন কেন? দেন আর কয়ডা, রোজার মাসে চুরি
কইরা বেড়ায়, শালারে লাত্থা, তুই চুরি করস আবার কিসের রোজা রাখস
রে? মিছা কথার জায়গা পাস না? এই বলেই কান বর়াবর সজোরে
আরেকটা থাপ্পড় বসিয়ে দিলো।
ছেলেটা গালে হাত দিয়ে দেয়াল ঘেসে বসে রইলো, কান্না আর
হই হুল্লোর শব্দে ইমাম দোতলা থেকে নেমে এলেন,
দেখলেন মসজিদের আঙিনায় লোক জড়ো হয়ে আছে,
আজকে এলাকার মসজিদে ইফতার পার্টি, সেই আয়োজন চলছিলো
মসজিদে। ইমাম এগিয়ে গিয়ে বললেন- কি হইছে এখানে?
লোকেরা বলা শুরু করলো হুজুর চোর ধরছি! ছেচড়া চোর! ইমাম
সাহেব এগিয়ে গিয়ে দেখলেন ১২-১৩ বয়সের এক ছেলে দেয়াল
ঘেসে বসে আছে, ছেলেটির পুরো গাল চোখের পানিতে
ভেসে গেছে, গায়ের রঙ কালো হলেও আঘাতের দাগ রেখা
গুলো স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। ইমাম সামনে আসাতে ছেলেটি আরও
ভয় পেয়ে গেলো। এবার আর তার রেহাই নেই, হাত পা কাঁপছে।
-কি চুরি করছে? দেখি! পাশে লোকটি পলিথিনের পোটলা আগায়
দিয়ে বললো-দেখেন হুজুর, দেখেন,, ইফতারের আয়োজন
করতেছে,এই ফাঁকে শালায় পলিথিনে ভইরা লইছে। এক্কেরে
হাতেনাতে ধরছি! হুজুর পলিথিন হাতে নিয়ে দেখলেন আধা কেজির
মত জিলাপি, ৬ টাআপেল, আর কিছু খেজুর ভিতরে ছিলো। হুজুর
বললেন- তাই বইলা এভাবে গণপিটুনি দিছো কেন? এইটা কেমন বিচার?
বাচ্চারে কেউ এভাবে মারে নাকি? এবার লোক জনের উত্তেজনা
একটু থেমে গেলো। হুজুর ছেলেটিকে জিজ্ঞাস করলেন- তর
বাপ কি করে? ছেলেটা কিছুটা স্বস্তি ফিরে পেলো।
বললো- সাইকল ঠিক করতো, বাপে অসুখ তাই অহন কাম করে না। হুজুর
আমারে ছাইড়া দেন। আমি আগে কুনোদিন চুরি করি নাই। কয়েকটা বাসায়
হাত পাইতা একটা দানাও সাহায্য পাই নাই। পরে দেহি মসজিদে খাবার। বাড়িতে
নিবার জন্যে তুইলা নিছি। ভুল হইয়া গেছে আমারে মাফ কইরাদেন। পাশ
থেকে লোকগুলো বলছে ---এগুলা সব মিথ্যা কথা, ধরা খাইয়া এখন
ভদ্র সাজে। হুজুর বললেন- ইফতার শেষ হোক, সত্য মিথ্যা দেখে
ওর বাপের কাছে জানিয়ে সতর্ক করে দেয়া হবে। ছেলেটাকে
কেউ পানি দেও, ও অনেক হাঁপাচ্ছে। একজন পানির বোতল আগায়
দেয়। ছেলেটি উত্তর দেয়- আমি রোজা! ইমাম সাহেব এবার
লোকগুলোর দিকে একটু বিরক্ত মুখ নিয়ে তাকালো। ছেলেটিকে
অজু করিয়ে তাকে পাশে বসিয়ে ইফতার করলেন ইমাম সাহেব।
.
ইফতার আর নামাজ শেষে সেই দুই জন লোক ও ছেলেটিকে
নিয়ে ইমাম সাহেব বস্তির দিকে চললেন। এক চালা টিনের ঘর,বাইরের
দুয়ারে ছেলেটির বাবা বসে আছে। সব কিছু শুনে বাবা তার ছেলের
গালে থাপ্পড় মারার জন্যে হাত উঠায়। হুজুর বাধা দিয়ে বলেন- যথেষ্ট
মার হইছে, ওরে আর মাইরেন না। বাবা কাঁদতে কাঁদতে বলে- বিশ্বাস
করেন হুজুর, আমার ছেলেরে আমি এই শিক্ষা দেই নাই। বেশ কয়দিন
ধইরা আমার অসুখ। কাম কাজ নাই, পোলা পানগো ঠিক মত খাওন
যোগাইতে পারিনা। কিন্তু পোলায় চুরি করবো কুনোদিন ভাবি নাই। ও
অমন পোলানা। এসব কথা বলতে বলতে ছেলেটির বোন বেরিয়ে
আসে। মেয়েটির বয়স ৬ বছর হবে। বোনটি তার ভাইয়ের দিকে হাত
বাড়িয়ে দেয়, কোমল স্বরে বলে- ভাই, জিলাপি আনো নাই? তুমি না
আইজকা জিলাপি আনবা কইছো??
ভাইটির মুখে কোনো কথা নেই, চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে। এর
মধ্যেই আরেকটি ৪ বছরের ছোট্ট বোন ঘর থেকে ছুটে
আসে-ভাই, ওরে না, ওরে না আমারে আগে দিবা, আমারে। এই
বলেই হাতটি বাড়িয়ে দেয়, ভাইয়ের মুখের দিকে কিছুক্ষন চুপ
থেকে বলে- ভাই তুমি একলা একলাই খাইয়া আইছো? আমার জন্যে
আনো নাই??
ভাইটি এবার ছোট বোনের কথা শুনে কেঁদে ফেলে। বোন দুইটা
মন খারাপ করে ঘরে ঢুকে যায়। ছোট বোনটা মায়ের কোলে
উঠে কান্না জুড়ে দেয়। মা আঁচল দিয়ে মুখ চেপে বাইরে বের
হয়ে আসে। বলে, মাইয়া দুইটা কয়দিন ধইরা জিলাপি খাইতে চাইতেছে,
ওগো বাপের অসুখ। টেকা পয়সাও নাই, তাই পোলাটারে বাইরে
পাঠাইছিলাম বাড়ি বাড়ি গিয়া কিছু সাহায্য চাইয়া আনতে। ছোট মানুষ বুঝে নাই, তাই
ভুল করে ফেলছে। খাবার সামনে পাইয়া নিয়া নিছে, অরে আফনেরা
মাফ কইরা দিয়েন। এদিকে বাচ্চা মেয়েটা চোখ ভিজিয়ে মায়ের কাছে
কেঁদে কেঁদে নালিশ করেই যাচ্ছে- মা, ভাই আইজকাও জিলাপি আনে
নাই,ভাই আমাগো খালি মিছা কথা কয়!
ভাইটি মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে হঠাৎ বোনটি খেয়াল করে ভাইয়ের
শার্টের পকেট ভেজা! ভাই, তোমার পকেটে কি? এই বলেই হাত
ঢুকিয়ে দেয়, বের করে দেখে দুইটা জিলাপি!! ভাই, তুমি আনছো? দুই
বোনের মুখে হাসি ফুটে উঠে! ভাইটি এবার ভয়ে মুখ চুপসে যায়!
লোক দুটির দিকে ভয়ার্ত ভাবে তাকিয়ে বলে- স্যার, এইটা আমি চুরি করি
নাই। আশা ভরা চোখ নিয়ে হজুরের দিকে তাকিয়ে বলতে থাকে-
বিশ্বাস করেন হজুর, এইটা আমার ভাগের জিলাপি, ইফতারির সময় আমার
ভাগেরটা উঠাইয়া রাখছিলাম বোইন দুইটার জন্য....
উপরের গল্প টি গল্প বলে মনে হলেও বাস্তব থেকে আলাদা নয় .
আসুন না , এই রমজানে ওদের সাথেও হউক একদিন ইফতার ,

নিয়তের উপর বরতক

কুরআন মজিদ আল্লাহর কালাম, হেদায়াতের বাণী, সারা জীবন চলব মোরা,

কোরআন- সুন্নাহ মানি 

প্রত্যেক মুসলমানের জন্য মহানবী সাল্লাহু আআলাইহি ওওয়া সাসাল্লাম এর অমূল্য উপদেশ :-

 ❖১. যদি পরিপূর্ণ ঈমানওয়ালা হতে চাও তবে উত্তম চরিত্র অর্জন কর।

❖২. যদি সবচেয়ে বড় আলেম হতে চাও তবে তাকওয়া অর্জন কর।

❖৩. যদি সবচেয়ে বেশী সম্মান পেতে চাও তবে মানুষের নিকট হাত পাতা বন্ধ করে দাও।

❖৪. যদি আল্লাহর নিকট বিশেষ সম্মান পেতে চাও তবে অধিক পরিমাণে আল্লাহর জিকির কর।

❖৫. যদি রিযিকের প্রশস্ততা চাও তবে
সর্বদা ওজুর সাথে থাকার চেষ্টা কর।

❖৬. যদি সমস্ত দোয়া কবুল হওয়ার আশা কর তবে অবশ্যই হারাম থেকে বেঁচে
থাকো।

❖৭. যদি কেয়ামতের দিন আল্লাহর দরবারে গুনাহমুক্ত উঠতে চাও তবে সহবাসের পর দ্রুত পবিত্র হয়ে নাও।

❖৮. যদি কেয়ামতের দিন আল্লাহর নূর
নিয়ে উঠতে চাও তবে মানুষের উপর
জুলুম করা ছেড়ে দাও।

❖৯. যদি আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে চাও তবে আল্লাহর ফরজ বিষয়াদির প্রতি যত্নবান হও।

❖১০. যদি আল্লাহ তায়ালার রাগ থেকে বাঁচতে চাও তবে গোপনে সদকা কর, আত্নীয়তা রক্ষা করে চলো এবং মানুষের উপর রাগ করা ছেড়ে দাও।

 আল্লাহ্ আমাদের সকলকে তৌফিক দান করুন, আমিন।।

ইসলামীক বাণী প্রচারে আপনি ও আমাদের সাথে থাকুন